ভাই ওষুধ কি কম আছে অনলাইনে? আপনিও জানেন হাজার রকমের ওষুধ সবসময় আপনার সামনে আসছে। তাই ওষুধ এর আগে আপনাকে আমার নিজের সম্পর্কে একটু বলি নিই। কারণ আপনি কার থেকে ওষুধ নিচ্ছেন সেটা অবশ্যই যাচাই করা উচিত। উপরের যেই ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এটাই আমি। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের চেম্বারে ট্রিটমেন্ট এর টাকা দিয়েই আমি ২০২২ সালে হজ্জ্ব করেছি আপনাদের দোয়ায়
পাশাপাশি আমি কুরআনের ৩০ পারার হাফেজ এবং ইউনানী ডিগ্রীপ্রাপ্ত ডক্টর। ইনশাআল্লাহ ৩০ পারা কুরআন নিজের মধ্যে রেখে আমি এমন কিছুই করবো না যাতে কেয়ামতের ময়দানে আমাকে আপনার মুখোমুখী হতে হয়
“অন্য যেকোনো ওষুধও যদি ব্যার্থ হয় ইনশাআল্লাহ আমাদের ওষুধ অবশ্যই কাজ করবে” এই কথাটা আমরা কেনো এতো জোর দিয়ে বলি? কারণ নিম্নোক্ত শক্তিশালী উপাদানগুলো আমাদের ওষুধে বিদ্যমান
ত্বীন ফল : পবিত্র কুরআনে একটি সূরাই রয়েছে এই ফলের নামে। এছাড়াও বহু জায়গায় একে শেফা বলে উল্লেখ করা হয়েছে
জমজম এর পানি : এটির মতো বরকতময় পৃথিবীতে আর একটিও নেই। এই পবিত্র পানি আমাদের ওষুধে বিদ্যমান
কালোজিরা : মৃত্যু ব্যাতীত সকল রোগের ওষুধ বলা হয়েছে এই কালোজিড়াকে
আজওয়া বীজ : রাসূল সাঃ তার একাধিক সাহাবীকে বিয়ের রাতে আজওয়া খেজুর খাওয়ার জন্য বলেছেন
আমরা দুই উৎস থেকে উপকরণ সংগ্রহ করেছি। প্রথমত, যারা পাহাড়ী গাছ-গাছড়া সেবন করে তাদের অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক ভেষজ বিজ্ঞান এর ফর্মূলা। উল্লেখযোগ্য উপাদান হচ্ছে কস্টাস ইগনিয়াস, ভৃঙ্গরাজ, গাইনুরা, সদাবাহার ইত্যাদি অন্যতম
▪ মূল কাজ : রক্তে শর্করা অর্থাৎ সুগার লেভেল পরিমিত পরিমাণে নিয়ে আসা
▪ কাজ ২ : ইনসুলিন এর ভারসাম্য রক্ষার জন্য শরীরকে সর্বাত্তক সহায়তা করা
▪ কাজ ৩ : ডায়াবেটিস এর কারণে মিলনে অক্ষমতা, শরীরের ঘা বা অন্যান্য অসুস্থতা দূর করতে বেশি সময় নেওয়া সহ আরোও বেশ কয়েকটি জটিলতা দেখা দেয়; এগুলোও মোকাবেলা করে আমাদের এই ওষুধটি
পাউডার | ১০০ গ্রাম
সিরাপ | ৭০ গ্রাম
ভেষজ বড়ি | ৬০ পিস
প্রশ্ন : পার্শপ্রতিক্রিয়া আছে কি না?
উত্তর : যেই উপাদানগুলো দিয়ে আমরা ওষুধ তৈরী করি সেগুলোর পুরোটাই আমাদের হাতে বানানো, তাই কোনোরকম পার্শপ্রতিক্রিয়া ইনশাআল্লাহ হবে না
প্রশ্ন : প্যাকেজ কতোদিনের?
উত্তর : আমাদের এই প্যাকেজটি মোট ৪০ দিনের ভাইজান
প্রশ্ন : কতোদিনে কাজ করবে ?
উত্তর : ওষুধ খাওয়ার আগে এবং পরে সুগার এর মাত্রা মাপলেই বুঝতে পারবেন। সাধারণত ১ থেকে সর্বচ্চ ২ দিনেই পুরোপুরি স্থিতিশীলতা চলে আসে
প্রশ্ন : মূল্য কতো টাকা?
উত্তর : মূল্য মাত্র ৯৭০ টাকা। কোনো ডেলিভারী চার্জ নেই
প্রশ্ন : ওষুধ খাওয়ার নিয়ম কি?
উত্তর : ওষুধের নিয়ম ওষুধের সাথেই দেওয়া থাকবে এবং আমি ফোন করেও বুঝিয়ে দেবো
অনেকেই আজ-কাল ওষুধে গ্যারান্টি দিচ্ছে! ভাই এটা দুনিয়ার অন্যতম হাস্যকর বিষয় এবং নির্ঘাত ঠকানো। ধরুন আপনি একজন এমবিবিএস ডাক্টরের কাছে গেলেন, গিয়ে বললেন যে, “আমাকে সুস্থতার গ্যারান্টি দিন”। উত্তরে সেই এমবিবিএস ডক্টর হয় হাসবেন নয়তো রাগ হবেন। শুধু এই রোগ নয় বরং যদি সাধারণ জ্বর-কাশিও হয় তবুও এটা ঠিক হওয়ার পুরোপুরি গ্যারান্টি একজন সত্যিকারের ডক্টর দিবেন না। আমিও একজন ডক্টর হিসেবে তাই আপনাকে বলতে চাই ভাইজান। তার মানে কি আমাদের ওষুধে কাজ করবে না? বিষয়টা এমন নয় ভাই! ইনশাআল্লাহ আমার দিকনির্দেশনা মেনে চললে এবং নিয়মিত ওষুধ খেলে শতভাগ সমস্যা সমাধান পাওয়া অবশ্যই সম্ভব
আরেকটা বিষয় হচ্ছে ‘বিশ্বাস‘ । আমি আগেই নিজেকে পরিচয় দিয়েছি একজন হাফেজ হিসেবে। একটা ওষুধে সর্বচ্চ কতো টাকা লাভ হয় ভাই? ১০০ থেকে ১৩০ টাকা। এই সামান্য কিছু টাকা আয়ের জন্য আমি এমন কিচ্ছু করবো না যাতে কি না রোজ কেয়ামতের ময়দানে আপনার কাছে আমাকে জবাবদিহি করতে হয়। কারণ আপনি হয়তো আমাকে চেনেন না, আমিও চিনি না। কিন্তু সেই আল্লাহ আমাদের দু’জনকেই চেনেন। এই সত্যটুকুর মাথায় রেখে ইনশাআল্লাহ আপনাকে সর্বচ্চ সেবার আমি দিবো ভাই
ভাই মোটামুটি সবকিছুই দেখলেন আমাদের ওষুধ নিয়ে, অর্ডার করা বা না করার সিদ্ধান্ত আপনার। তবে যদি অর্ডার করেন আল্লাহ ভরসা করে করতে পারেন, ইনশাআল্লাহ অর্ডার করার কিছুক্ষণ পরেই আমি আপনাকে কল দিয়ে আপনার সমস্যার বিস্তারিত শুনবো। শুনে সেই অনুযায়ী ওষুধ তৈরী করে পাঠাবো আপনাকে। হাফেজ এবং যারা কিছুটা আর্থিকভাবে অসচ্ছল তাদের ক্ষেত্রে ওষুধের মূল অবশ্যই কমানো যাবে। সেই বিষয়ে ইনশাআল্লাহ কল দিলে কথা হবে
নির্দেশনা : অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন এবং আরেকটু নিচে গিয়ে অর্ডার করুন নামক বাটনে ক্লিক করুন